আধুনিক জীবনে অসুস্থতা বা দুর্ঘটনা কখন যে ঘটে যায় তা কেউ জানে না। এমন পরিস্থিতিতে প্রাথমিক চিকিৎসা (First Aid) জীবন বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। অনেক সময় সঠিক সময়ে প্রাথমিক চিকিৎসা না পেলে ছোট একটি সমস্যা বড় জটিলতায় পরিণত হয়। এখানেই ক্লিনিক বা প্রাইমারি হেলথকেয়ার সেন্টার গুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রাথমিক চিকিৎসা হলো — কোনো ব্যক্তি অসুস্থ বা আহত হলে হাসপাতালে নেওয়ার আগে পর্যন্ত তাকে প্রাথমিকভাবে যত্ন ও সহায়তা দেওয়া।
এর মধ্যে রয়েছে —
রক্তপাত বন্ধ করা
ব্যথা নিয়ন্ত্রণ
জখম পরিষ্কার করা
হাড় ভাঙলে সাময়িকভাবে স্থির রাখা
শ্বাস নিতে কষ্ট হলে সহায়তা করা ইত্যাদি
অনেক গ্রামীণ বা শহরের উপকণ্ঠে বড় হাসপাতাল না থাকলেও ছোট ছোট ক্লিনিকগুলো মানুষের কাছে সবচেয়ে কাছের ভরসা।
ক্লিনিকগুলো সাধারণত:
ছোটখাটো রোগের চিকিৎসা দেয়,
জরুরি অবস্থায় রোগীকে স্থিতিশীল রাখে,
প্রয়োজন হলে বড় হাসপাতালে রেফার করে।
এছাড়া অনেক ক্লিনিকে এখন
নিয়মিত ব্লাড প্রেসার ও সুগার চেকআপ,
টিকাদান,
প্রেগনেন্সি কেয়ার,
শিশু ও বয়স্কদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা
সেবাও দেওয়া হয়।
অনেক সময় মানুষ ছোট সমস্যা উপেক্ষা করে পরে বড় বিপদের মুখে পড়ে।
ক্লিনিকের ডাক্তাররা স্থানীয় জনগণকে স্বাস্থ্য সচেতন করে তুলতে পারেন—
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে উৎসাহিত করা,
স্বাস্থ্যকর খাবার ও জীবনযাপনের পরামর্শ দেওয়া,
প্রাথমিক চিকিৎসা শেখানোর ব্যবস্থা করা।
প্রাথমিক চিকিৎসা ও ক্লিনিক – এই দুইটি বিষয় মানুষের জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
একটি ছোট ক্লিনিকের সময়মতো সেবা অনেক সময় একটি জীবন বাঁচাতে পারে। তাই আমাদের সবারই উচিত কাছের ক্লিনিক সম্পর্কে জানা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে হয় তা শেখা।